ডিলোকালাইজড ইলেকট্রন আছে-
-
ক
ফ্লোরিনে
-
খ
ডায়মন্ডে
-
গ
হেক্রাফাইটে
-
ঘ
গ্রাফাইটে
সঠিক উত্তর: গ্রাফাইটে
ডিলোকালাইজড ইলেকট্রন কী?
ডিলোকালাইজড ইলেকট্রন হল এমন ইলেকট্রন যা কোনো নির্দিষ্ট পরমাণু বা সমযোজী বন্ধনের সাথে আবদ্ধ থাকে না। এরা একটি অণু বা কঠিন পদার্থের মধ্যে মুক্তভাবে চলাচল করতে পারে।
বিভিন্ন পদার্থের ক্ষেত্রে:
- ফ্লোরিন: ফ্লোরিন একটি পরমাণু এবং এতে কোনো ডিলোকালাইজড ইলেকট্রন নেই।
- ডায়মন্ড: ডায়মন্ডে কার্বন পরমাণুগুলো শক্তিশালী সমযোজী বন্ধনে আবদ্ধ থাকে। এখানে ইলেকট্রনগুলো নির্দিষ্ট বন্ধনে আবদ্ধ থাকে এবং মুক্তভাবে চলাচল করতে পারে না।
- হেক্সাফাইট: হেক্সাফাইট একটি খনিজ পদার্থ এবং এতে ডিলোকালাইজড ইলেকট্রন থাকে না।
- গ্রাফাইট: গ্রাফাইটে কার্বন পরমাণুগুলোর মধ্যে একটি পাতলা পাতলা স্তর থাকে। প্রতিটি স্তরে কার্বন পরমাণুগুলোর মধ্যে তিনটি সমযোজী বন্ধন থাকে এবং একটি π বন্ধন থাকে। এই π বন্ধনের ইলেকট্রনগুলো সমগ্র স্তর জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে থাকে এবং মুক্তভাবে চলাচল করতে পারে। এই কারণেই গ্রাফাইট বিদ্যুৎ পরিবাহী।
সুতরাং, গ্রাফাইটে ডিলোকালাইজড ইলেকট্রন থাকে।
ধাতব বা ইলেকট্রনীয় পরিবাহী ও তড়িৎ বিশ্লেষ্য পরিবাহীর মধ্যে পার্থক্য
ধাতব বা ইলেকট্রনীয় পরিবাহী এবং তড়িৎ বিশ্লেষ্য পরিবাহী দুটি ভিন্ন ধরনের উপাদান, যেগুলোর বৈশিষ্ট্য এবং ব্যবহার ভিন্ন। নিচে এই দুটি পরিবাহীর মধ্যে পার্থক্য আলোচনা করা হলো।
১. ধাতব বা ইলেকট্রনীয় পরিবাহী
ধাতব বা ইলেকট্রনীয় পরিবাহী এমন উপাদান যেগুলোতে বিদ্যুৎ পরিবহন প্রধানত ইলেকট্রনের মাধ্যমে হয়ে থাকে। এই ধরনের পরিবাহীতে ইলেকট্রনের পরিমাণ বেশি থাকে এবং তারা সহজেই আন্দোলন করতে পারে, যার ফলে বিদ্যুৎ চলাচল সম্ভব হয়।
- বৈশিষ্ট্য:
- এসব উপাদান সাধারণত ধাতু, যেমন তামা, অ্যালুমিনিয়াম, রৌপ্য ইত্যাদি।
- ইলেকট্রনীয় পরিবাহীরা উচ্চ তাপ পরিবাহিতা এবং নিম্ন প্রতিরোধক হয়ে থাকে।
- এই উপাদানগুলোর মধ্যে বিদ্যুৎ প্রবাহ সহজ এবং দ্রুত হয়।
- ব্যবহার:
- তামা এবং অ্যালুমিনিয়াম প্রধানত বিদ্যুৎ পরিবাহিত উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- ইলেকট্রনিক্স এবং বৈদ্যুতিন যন্ত্রপাতিতে ব্যাপক ব্যবহার।
২. তড়িৎ বিশ্লেষ্য পরিবাহী
তড়িৎ বিশ্লেষ্য পরিবাহী হলো এমন উপাদান যেগুলোর মধ্যে বিদ্যুৎ প্রবাহ একটি নির্দিষ্ট আধানের মাধ্যমে চলে, এবং তাত্ত্বিকভাবে এই পরিবাহীদের বৈশিষ্ট্য হলো বিদ্যুৎ পরিবাহিতা তাদের আধানের গতির উপর নির্ভরশীল।
- বৈশিষ্ট্য:
- এসব উপাদান সাধারণত সেমিকন্ডাক্টর বা অর্ধপরিবাহী পদার্থ, যেমন সিলিকন, জার্মেনিয়াম ইত্যাদি।
- তড়িৎ বিশ্লেষ্য পরিবাহীর মধ্যে বিদ্যুৎ পরিবাহিতা তাদের তাপমাত্রা, আধানের ঘনত্ব এবং বাহ্যিক শক্তির উপর নির্ভরশীল।
- তাপমাত্রা বাড়ালে তাদের পরিবাহিতা বৃদ্ধি পায়, তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে মন্দে যায়।
- ব্যবহার:
- তড়িৎ বিশ্লেষ্য পরিবাহী উপাদানগুলি সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস, যেমন ট্রানজিস্টর, ডায়োড ইত্যাদির মধ্যে ব্যবহৃত হয়।
- এসব উপাদানগুলোর সাহায্যে বিভিন্ন বৈদ্যুতিন সিস্টেম এবং চিপ তৈরি করা হয়।
পার্থক্য
| বৈশিষ্ট্য | ধাতব বা ইলেকট্রনীয় পরিবাহী | তড়িৎ বিশ্লেষ্য পরিবাহী |
|---|---|---|
| প্রধান উপাদান | ধাতু (তামা, অ্যালুমিনিয়াম) | সেমিকন্ডাক্টর (সিলিকন, জার্মেনিয়াম) |
| বিদ্যুৎ পরিবাহিতা | উচ্চ | তাপমাত্রা এবং বাহ্যিক শক্তির উপর নির্ভরশীল |
| পরিবাহী মাধ্যম | ইলেকট্রন | আধান |
| ব্যবহার | বিদ্যুৎ পরিবহন, ইলেকট্রনিক্স | ট্রানজিস্টর, ডায়োড, সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস |
| প্রতিরোধকতা | কম | পরিবর্তনশীল |
সারাংশ
ধাতব বা ইলেকট্রনীয় পরিবাহী এবং তড়িৎ বিশ্লেষ্য পরিবাহী দুটি ভিন্ন ধরনের উপাদান, যেগুলোর বৈশিষ্ট্য এবং ব্যবহার ভিন্ন। ইলেকট্রনীয় পরিবাহী ধাতু ভিত্তিক এবং তড়িৎ বিশ্লেষ্য পরিবাহী সেমিকন্ডাক্টর ভিত্তিক, যেখানে বিদ্যুৎ প্রবাহের বৈশিষ্ট্য তাদের আধানের গতির উপর নির্ভরশীল।
Related Question
View Allইলেকট্রন ত্যাগ করে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হতে যে শক্তির প্রয়োজন হয়, তা হচ্ছে-
-
ক
ইলেকট্রন আসক্তি
-
খ
তড়িৎ ঋণাত্মকতা
-
গ
আয়নিক পটেনসিয়াল
-
ঘ
আয়নিকরণ শক্তি
X এবং Y পরমাণুদের সর্ববহিস্থ স্তরে যথাক্রমে ৩টি ও ৬টি ইলেকট্রন আছে। X ও Y দিয়ে গঠিত যৌগের সংকেত হবে-
-
ক
-
খ
-
গ
-
ঘ
বিজোড় ইলেকট্রনযুক্ত অণু কোনটি?
-
ক
-
খ
-
গ
-
ঘ
‘ইলেকট্রন ভোল্ট' নিচের কোনটির একক?
-
ক
আধান
-
খ
প্রবাহ
-
গ
প্রাবল্য
-
ঘ
কাজ
n=3, I=1 উপকক্ষে কয়টি ইলেকট্রন থাকতে পারে?
-
ক
32
-
খ
8
-
গ
18
-
ঘ
6
নাইট্রোজেন পরমাণুতে ৩টি বিজোড় ইলেক্ট্রন বিদ্যমান। নিচের কোন নীতি/ সূত্র দ্বারা একটি প্রমাণ করা সম্ভব?
-
ক
হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা নীতি
-
খ
আউফবাউ নীতি
-
গ
পাউলির বর্জন নীতি
-
ঘ
হুন্ডের সূত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন